বয়স ৫০ হলেই বুস্টার ডোজ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

0 296

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে টিকার বুস্টার ডোজের বয়সসীমা কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেছেন, এখন থেকে ৫০ বছর বয়সীরাও বুস্টার ডোজ পাবেন।

আজ সোমবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে অনুমোদন দিয়েছেন। এখন থেকে ৫০ বছর বয়স থেকেই বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত এক কোটি সাত লাখ শিক্ষার্থীকে টিকা দিয়েছি। এখনও প্রায় ৯ কোটি ৩০ লাখ ডোজ টিকা মজুদ রয়েছে। আমাদের টিকার কোনো ঘাটতি হবে না।

জাহিদ মালেক বলেন, আপনারা জানেন আমাদের টিকা কর্মসূচি চলমান আছে, আমরা বুস্টার ডোজ দিয়ে যাচ্ছি। এখন পর্যন্ত বুস্টার ডোজ খুববেশি অগ্রগতি লাভ করেনি। এ পর্যন্ত আমরা সাত লাখের মতো মানুষকে টিকার বুস্টার ডোজ দিতে পেরেছি। এখন যদি বয়সসীমা কমিয়ে ৫০ বছর বয়সীদের বুস্টার ডোজ দেই, তাহলে প্রায় ৭০ লাখ মানুষকে এই বুস্টার ডোজ দিতে হবে। এতে আমাদের জন্য কোনো অসুবিধা নেই।

এর আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম জানিয়েছিলেন, বুস্টার ডোজের জন্য বয়সসীমা ৬০ বছর থেকে কমানোর কথা ভাবছেন তারা। এমনকি ভবিষ্যতে টিকাগ্রহীতারা সুবিধাজনক যেকোনো কেন্দ্র থেকে বুস্টার ডোজ নিতে পারবেন।

গত ২৮ ডিসেম্বর সারাদেশে করোনাভাইরাসের টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। যাদের বয়স ৬০ বছরের বেশি এবং যারা কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামনের সারিতে আছেন, তাদের করোনাভাইরাসের টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়া হচ্ছে। টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ছয় মাস পরে তারা বুস্টার ডোজ বা তৃতীয় ডোজ নিতে পারবেন।

যে আগে যে হাসপাতাল থেকে দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন, সেই হাসপাতাল থেকে তার মোবাইলে বুস্টার ডোজের তারিখ জানিয়ে এসএমএস পাঠানো হচ্ছে। সেই কেন্দ্রে নির্ধারিত দিনে গিয়ে তৃতীয় ডোজ নিতে হচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, গত রোববার পর্যন্ত সারাদেশে ৬ লাখ ৮৫ হাজারের বেশি মানুষকে করোনাভাইরাসের বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.