তীব্র শীতে কাঁপছে দেশ, চলছে শৈত্যপ্রবাহ

দেশে তীব্র শীতের সাথে বয়ে চলছে শৈত্যপ্রবাহ। গত শুক্রবার ৬ জেলা ও ২ বিভাগে শৈত্যপ্রবাহের দাপট ছিল, গত শনিবার (২৯ জানুয়ারি) ৮ জেলা ও চার বিভাগে তা বেড়েছে। তবে সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় কিছুটা উন্নতি হয়।

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ও কুড়িগ্রামের রাজারহাটে এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। গত শুক্রবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল কুড়িগ্রামে, ৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদফতর থেকে জানানো হয়, চলতি মৌসুমের তৃতীয় দফা শৈত্যপ্রবাহ এটি। আরও অন্তত দুদিন এ পরিস্থিতি বিরাজ করতে পারে। তবে আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে বৃষ্টিপাত হতে পারে। এর আগে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। তবে বৃষ্টি হলে ফের শীত বাড়তে পারে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

আবহাওয়া বিভাগ দেশের ৪২ স্টেশনে আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিস্থিতির ওপর প্রতিদিন তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করে থাকে।

সংস্থাটির প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পরিমাণ আগের তুলনায় বেশি থাকলেও উল্লিখিত স্টেশনগুলোর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ দশমিক ৮ ডিগ্রির মধ্যে আছে।

অন্যদিকে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্যও বেশ কম। সাধারণত সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য ১০ ডিগ্রি বা এর নিচে নেমে এলে হাড় কাঁপানো শীত অনুভূত হয়। সেই হিসাবে প্রায় সারা দেশই শীতে কাঁপছে বলা যায়। কেননা, সর্বনিম্নের হিসাবে উপরের দিকে আছে ঢাকা। সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কিন্তু সর্বোচ্চ ২২ দশমিক ১ ডিগ্রি। অর্থাৎ, পার্থক্য মাত্র ৭ ডিগ্রির একটু বেশি।

আবার দেশে শনিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কুতুবদিয়ায় ২৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি। কিন্তু সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি। অর্থাৎ উভয়ের পার্থক্য ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর মানে হচ্ছে, সর্বোচ্চ তাপমাত্রার এলাকায়ও ব্যাপক শীত পড়েছে।

আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ জানান, আগের দিন গোপালগঞ্জ, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, মৌলভীবাজার, যশোর ও কুষ্টিয়া জেলাসহ রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছিল। শনিবার এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কিশোরগঞ্জ, ফেনী, বরিশাল।

এছাড়া শৈত্যপ্রবাহভুক্ত বিভাগে যুক্ত হয় ময়মনসিংহ ও সিলেট। এই পরিস্থিতি আরও নতুন নতুন এলাকায় বিস্তার লাভ করতে পারে।

চলছে শৈত্যপ্রবাহতীব্র শীতে কাঁপছে দেশদেশী টুয়েন্টিফোর
Comments (0)
Add Comment