আজ শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলার চরণদ্বীপ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
এ ব্যাপারে বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল করিম বলেন, দীর্ঘ চেষ্টার পর আমরা লাশ উদ্ধার করেছি। ঘটনাটি খুবই লোমহর্ষক। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মাদ্রাসার পরিচালক শাহজাদা শেখ মো. সালাউল্লাহ জানান, সকালে মাশফি সবার সঙ্গে নামাজ পড়েছে। এরপর ছবকও নিয়েছে। ৭টার দিকে নাস্তা করতে গেলে তাকে আর পাওয়া যায়নি। শিক্ষার্থীরা খুঁজতে খুঁজতে এক পর্যায়ে হেফজখানার দুইতলায় তার গলাকাটা লাশ দেখতে পায়। মাদ্রাসায় তখন শিক্ষার্থী ও হাফেজ জাফর আহমদ ছিল।
এর আগে শনিবার সকাল ৮টায় নিহতের বড়ভাই ইমতিয়াজ মালেকুল মাজেদ তার ফেসবুক আইডি থেকে হাফেজ পড়ুয়া ছোটভাইকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে স্ট্যাটাস দেন।